একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন ৭ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে। এর ফলে জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, সঙ্গে বইছে শীতল বাতাস। এতে করে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ভোর ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। আগের দিনের তুলনায় একদিনেই তাপমাত্রা কমেছে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল শতভাগ।
আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, ঘন কুয়াশার কারণে সকালবেলা দৃশ্যমানতা কমে দাঁড়ায় মাত্র ৬০০ মিটার। সকালজুড়ে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া বিরাজ করলেও এ সময়ে কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি।
এর আগে সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজশাহীতে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সে সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৭৬ শতাংশ।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তীব্র শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, শিশু ও বয়স্করা। শীত থেকে রক্ষা পেতে অনেককে ভোরের কাজ পিছিয়ে দিতে হচ্ছে, কেউ কেউ খোলা জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ভোর ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। আগের দিনের তুলনায় একদিনেই তাপমাত্রা কমেছে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল শতভাগ।
আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, ঘন কুয়াশার কারণে সকালবেলা দৃশ্যমানতা কমে দাঁড়ায় মাত্র ৬০০ মিটার। সকালজুড়ে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া বিরাজ করলেও এ সময়ে কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি।
এর আগে সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজশাহীতে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সে সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৭৬ শতাংশ।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তীব্র শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, শিশু ও বয়স্করা। শীত থেকে রক্ষা পেতে অনেককে ভোরের কাজ পিছিয়ে দিতে হচ্ছে, কেউ কেউ খোলা জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক